
২০১২ সালের ৮ ডিসেম্বর নাটোরে পলাশ দাশের গুলিবিদ্ধ হয়ে পরবর্তীতে মৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে একটি হত্যা মামলা হয়।
ওই মামলার প্রেক্ষাপটে তৎকালীন সময়ে বর্তমান নাটোর-২ আসনের সংসদ সদস্য ও তৎকালীন রাজনৈতিক নেতা জনাব রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু গ্রেফতার হন।
প্রাপ্ত বক্তব্য অনুযায়ী, তৎকালীন অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের নেতৃত্বে ওই গ্রেফতার কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছিল।
সে সময় সার্কেল এএসপি হিসেবে আপেল মাহমুদের ভূমিকা ছিল মূলত সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমে উপস্থিত থাকা ও দাপ্তরিক তদারকির মধ্যে সীমাবদ্ধ।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা রিমান্ডের আবেদন করেন এবং পরবর্তীতে তৎকালীন পুলিশ সুপারের নির্দেশে মামলায় ৩০২ ধারা সংযোজন করা হয়—এমন তথ্যও সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্যে উঠে এসেছে।
পরবর্তীকালে আপেল মাহমুদের বিরুদ্ধে রিমান্ডে নির্যাতন, অর্থ লেনদেনসহ বিভিন্ন অভিযোগ উত্থাপিত হয়।
তবে তাঁর পক্ষের বক্তব্য হলো, প্রাথমিক অনুসন্ধানে এসব অভিযোগের সমর্থনে পর্যাপ্ত প্রত্যক্ষ ও documentary evidence পাওয়া যায়নি। বিশেষ করে কোনো অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণে সংশ্লিষ্ট নথি, প্রত্যক্ষ সাক্ষ্য, কল রেকর্ড, CCTV বা আর্থিক লেনদেনের নির্ভরযোগ্য প্রমাণ গুরুত্বপূর্ণ।
বর্তমানে তিনি সাময়িক বরখাস্ত হয়েছেন। তাঁর বিরুদ্ধে যে অভিযোগগুলো আনা হয়েছে, সেগুলোর সত্যতা বিভাগীয় তদন্ত ও প্রযোজ্য আইন অনুযায়ী যথাযথভাবে নির্ধারিত হওয়াই ন্যায়বিচারের স্বাভাবিক দাবি