সাংবাদিক নির্যাতনের প্রতিবাদ ও আত্ম মানবতার সেবায় দৃষ্টান্ত স্থাপন করছে ‘সাংবাদিক উন্নয়ন পরিষদ'(JDC)

আসাদ চৌধুরী। স্টাফ রিপোর্টার
সাংবাদিকদের পেশাগত অধিকার ও সুরক্ষার লক্ষ্য নিয়ে প্রতিষ্ঠিত হলেও শুরু থেকেই সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডে এক অনন্য নজির স্থাপন করে চলেছে ‘সাংবাদিক উন্নয়ন পরিষদ’। সংস্থাটি প্রতিষ্ঠা করেন সৈয়দ মিজান সমরকুন্দী। কেবল গণমাধ্যমকর্মীদের উন্নয়ন বা নির্যাতিত সাংবাদিকদের পাশে দাঁড়ানোই নয়, সমাজের অসহায় ও হতদরিদ্র মানুষের সেবায় ধারাবাহিক ভূমিকা রেখে চলেছে এই সংগঠন।
সাংবাদিক উন্নয়ন পরিষদের কাজের পরিধি এখন বহুমুখী। পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে নির্যাতন বা হয়রানির শিকার হওয়া সাংবাদিকদের আইনি ও নৈতিক সহায়তা দেওয়ার পাশাপাশি সংস্থাটি নিয়মিত সামাজিক কল্যাণমূলক কাজ পরিচালনা করছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য—
দরিদ্র পরিবারের বিয়েতে সহায়তা: আর্থিক সংকটে থাকা অসহায় পরিবারগুলোর কন্যাসন্তানের বিয়েতে আর্থিক সহযোগিতা প্রদান।
দুর্যোগে ত্রাণ বিতরণ: বন্যাসহ বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে শুকনো খাবার ও প্রয়োজনীয় ওষুধসামগ্রী পৌঁছে দেওয়া।
বিনামূল্যে চিকিৎসা ও ওষুধ: প্রতি সপ্তাহের শুক্রবারে চিকিৎসা বঞ্চিত মানুষের জন্য অভিজ্ঞ এমবিবিএস ডাক্তার দ্বারা বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা এবং প্রয়োজনীয় ওষুধ বিতরণ।
সংগঠনটির ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও মূল দর্শন নিয়ে কথা বললে সাংবাদিক উন্নয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এস এম মিজানুল্লাহ জানান, এই সংগঠনটি তাঁর একক কোনো সম্পত্তি নয়।
তিনি আবেগাপ্লুত হয়ে বলেন, “এই সংগঠনটি আমার একার নয়, এটি আমার সকল সহযোদ্ধা ও সহযোগীদের। আমি যেভাবে তিলে তিলে কষ্ট করে এই সংগঠনটিকে আজকের এই পর্যায়ে নিয়ে এসেছি, আমার অনুপস্থিতিতেও—এমনকি আমি যদি কখনো মারাও যাই—আপনারা একইভাবে এটিকে ভালোবাসা দিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবেন।”
প্রতিষ্ঠার পর থেকে ধারাবাহিক মানবিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের কারণে স্থানীয় পর্যায়ে সংগঠনটি ব্যাপক প্রসংশা ও সর্বস্তরের মানুষের আস্থা অর্জন করেছে।