Skip to content
-
Subscribe to our newsletter & never miss our best posts. Subscribe Now!
  • https://www.facebook.com/
  • https://twitter.com/
  • https://t.me/
  • https://www.instagram.com/
  • https://youtube.com/
জাতীয় দৈনিক আলোচিত প্রতিদিন জাতীয় দৈনিক আলোচিত প্রতিদিন
জাতীয় দৈনিক আলোচিত প্রতিদিন জাতীয় দৈনিক আলোচিত প্রতিদিন
  • Home
  • আমাদের পরিবার
  • আমাদের সম্পর্কে
  • গোপনীয়তা নীতি
  • প্রেস রিলিজ
  • বিজ্ঞপ্তি
  • যোগাযোগ
  • Home
  • আমাদের পরিবার
  • আমাদের সম্পর্কে
  • গোপনীয়তা নীতি
  • প্রেস রিলিজ
  • বিজ্ঞপ্তি
  • যোগাযোগ
Subscribe
Close

Search

চট্টগ্রামজাতীয়

মিরসরাইয়ে পারিবারিক বিরোধের জেরে কিরিচ-দা, চাইনিজ কুড়াল ও লোহার রড দিয়ে হামলার অভিযোগ, আহত – ৪ চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে বসতভিটা-সংক্রান্ত বিরোধের জেরে একই পরিবারের চার সদস্যের ওপর অতর্কিত হামলার অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগীদের দাবি, কিরিচ, দা, চাইনিজ কুড়াল ও লোহার রড দিয়ে হামলা চালিয়ে তাদের আহত করা হয়। ঘটনায় আহত চারজনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় আটজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে নালিশি মামলা দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার। তবে মামলা দায়েরের পরও এখন পর্যন্ত কোনো আসামি গ্রেপ্তার হয়নি বলে অভিযোগ করেছেন তারা। অভিযোগপত্র ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা যায়, মিরসরাই উপজেলার ১৫ নম্বর ওয়াহেদপুর ইউনিয়নের পশ্চিম মোল্লা বাড়ি, বড় কমলদহ এলাকায় বসতভিটা-সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। ভুক্তভোগী আলী আব্বাসের অভিযোগ, গত ২৫ জুলাই দুপুরে তাঁর স্ত্রীর বড় ভাই বাড়িতে যাওয়ার সময় অভিযুক্ত পক্ষের বাড়ির উঠান দিয়ে হেটে যাওয়াকে কেন্দ্র করে তার পথরোধ করা হয় এবং অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করা হয়। পরে বিষয়টি স্থানীয়ভাবে মীমাংসার জন্য সরদার আশরাফ উদ্দীন ও স্থানীয় মান্যবর ব্যক্তি ইমাম হোসেন বাবলুকে জানানো হয়। তাদের উদ্যোগে গত ৭ আগস্ট বিকেলে মসজিদ মাঠে দুই পক্ষকে নিয়ে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, ওই বৈঠকে দুই পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে তাদের উপর হামলার ঘটনা ঘটে। পরে আলী আব্বাস ও তাঁর স্ত্রীর বড় ভাই থানায় অভিযোগ জানাতে গেলে তাদের ধাক্কা দিয়ে বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া হয় বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। অভিযোগপত্রে আরও বলা হয়, ওইদিন সন্ধ্যা আনুমানিক ৬টা ৪০ মিনিটের দিকে সরদার আশরাফ উদ্দীনসহ অভিযুক্তরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে দেশীয় ধারালো অস্ত্র নিয়ে আলী আব্বাসের বসতবাড়িতে প্রবেশ করেন। এ সময় কিরিচ, চাইনিজ কুড়াল, দা ও লোহার রড দিয়ে আলী আব্বাসের মাথায় এলোপাতাড়ি আঘাত করা হয় বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা। আলী আব্বাসকে রক্ষা করতে তাঁর স্ত্রী, স্ত্রীর বড় ভাই ও মা এগিয়ে এলে তারাও হামলার শিকার হন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। হামলার সময় স্থানীয় মান্যবর ব্যক্তি ইমাম হোসেন বাবলুকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি এবং আহতদের খোঁজ নেননি বলেও অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা। পরে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করা হলে অভিযুক্তরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। পরে আহতদের উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। ভুক্তভোগীদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, আলী আব্বাসের মাথায় অস্ত্রোপচার করে ৩০টি সেলাই দেওয়া হয়। দ্বিতীয় ভুক্তভোগীর কপালে ছয়টি সেলাই এবং তৃতীয় ব্যক্তির ডান হাতের আঙুলে চারটি সেলাই লাগে। চতুর্থ ব্যক্তিকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়। স্থানীয় এক মুরব্বি নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন— “মাগরিবের নামাজ শেষে ঘরে ঢোকার সময় বাড়িতে চিৎকার শুনি। গিয়ে দেখি আব্বাসের মাথা বেয়ে রক্ত পড়ছে। তার পরিবারের আরও তিনজন আহত ছিলেন।” এদিকে ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসা শেষে থানায় গিয়ে মামলা করতে চাইলে পুলিশ মামলা গ্রহণে গড়িমসি করে। পরে বাধ্য হয়ে মিরসরাইয়ের বিজ্ঞ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তৃতীয় আদালতে দণ্ডবিধির ১৪৩, ৪৪৭, ৪৪৮, ৩২৩, ৩২৪, ৩২৫, ৩২৬, ৩০৭, ১০৯, ৩৪ ও ৫০৬(২) ধারায় নালিশি মামলা দায়ের করেন তারা। মামলায় অভিযুক্তরা হলেন—সাইদুল ইসলাম সালমান, ইকবাল হোসেন, রাহাত, রায়হান, আশরাফুল, ফরহাদ, শাহরুখ ও ডলি। তাদের সবার বাড়ি বড় কমলদহ এলাকায় বলে মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, মামলা দায়েরের পর দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও এখনো কোনো আসামি গ্রেপ্তার হয়নি। উল্টো অভিযুক্তরা তাদের বিভিন্নভাবে হুমকি-ধমকি দিয়ে যাচ্ছে বলেও অভিযোগ করেছেন তারা। ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা আরো বলেন, “আমরা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত চাই। যার জন্যে আমরা গত (৩ সেপ্টেম্বর) বৃহস্পতিবার বিকেলে মিরসরাই পৌরসভার বারইয়ারহাটে এক সংবাদ সম্মেলন করি এবং যারা হামলার সঙ্গে জড়িত, তাদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া হোক। পাশাপাশি আমাদের পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হোক। আমরা এখনো নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি এবং নিয়মিত হুমকি-ধমকির শিকার হচ্ছি।”

By জাতীয় দৈনিক আলোচিত প্রতিদিন
সেপ্টেম্বর ৯, ২০২৬ 3 Min Read
০

চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে বসতভিটা-সংক্রান্ত বিরোধের জেরে একই পরিবারের চার সদস্যের ওপর অতর্কিত হামলার অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগীদের দাবি, কিরিচ, দা, চাইনিজ কুড়াল ও লোহার রড দিয়ে হামলা চালিয়ে তাদের আহত করা হয়।

ঘটনায় আহত চারজনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় আটজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে নালিশি মামলা দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার। তবে মামলা দায়েরের পরও এখন পর্যন্ত কোনো আসামি গ্রেপ্তার হয়নি বলে অভিযোগ করেছেন তারা।

অভিযোগপত্র ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা যায়, মিরসরাই উপজেলার ১৫ নম্বর ওয়াহেদপুর ইউনিয়নের পশ্চিম মোল্লা বাড়ি, বড় কমলদহ এলাকায় বসতভিটা-সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল।

ভুক্তভোগী আলী আব্বাসের অভিযোগ, গত ২৫ জুলাই দুপুরে তাঁর স্ত্রীর বড় ভাই বাড়িতে যাওয়ার সময় অভিযুক্ত পক্ষের বাড়ির উঠান দিয়ে হেটে যাওয়াকে কেন্দ্র করে তার পথরোধ করা হয় এবং অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করা হয়।

পরে বিষয়টি স্থানীয়ভাবে মীমাংসার জন্য সরদার আশরাফ উদ্দীন ও স্থানীয় মান্যবর ব্যক্তি ইমাম হোসেন বাবলুকে জানানো হয়। তাদের উদ্যোগে গত ৭ আগস্ট বিকেলে মসজিদ মাঠে দুই পক্ষকে নিয়ে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, ওই বৈঠকে দুই পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে তাদের উপর হামলার ঘটনা ঘটে। পরে আলী আব্বাস ও তাঁর স্ত্রীর বড় ভাই থানায় অভিযোগ জানাতে গেলে তাদের ধাক্কা দিয়ে বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া হয় বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযোগপত্রে আরও বলা হয়, ওইদিন সন্ধ্যা আনুমানিক ৬টা ৪০ মিনিটের দিকে সরদার আশরাফ উদ্দীনসহ অভিযুক্তরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে দেশীয় ধারালো অস্ত্র নিয়ে আলী আব্বাসের বসতবাড়িতে প্রবেশ করেন।

এ সময় কিরিচ, চাইনিজ কুড়াল, দা ও লোহার রড দিয়ে আলী আব্বাসের মাথায় এলোপাতাড়ি আঘাত করা হয় বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।

আলী আব্বাসকে রক্ষা করতে তাঁর স্ত্রী, স্ত্রীর বড় ভাই ও মা এগিয়ে এলে তারাও হামলার শিকার হন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

হামলার সময় স্থানীয় মান্যবর ব্যক্তি ইমাম হোসেন বাবলুকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি এবং আহতদের খোঁজ নেননি বলেও অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।

পরে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করা হলে অভিযুক্তরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

পরে আহতদের উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। ভুক্তভোগীদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, আলী আব্বাসের মাথায় অস্ত্রোপচার করে ৩০টি সেলাই দেওয়া হয়। দ্বিতীয় ভুক্তভোগীর কপালে ছয়টি সেলাই এবং তৃতীয় ব্যক্তির ডান হাতের আঙুলে চারটি সেলাই লাগে। চতুর্থ ব্যক্তিকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়।

স্থানীয় এক মুরব্বি নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন—
“মাগরিবের নামাজ শেষে ঘরে ঢোকার সময় বাড়িতে চিৎকার শুনি। গিয়ে দেখি আব্বাসের মাথা বেয়ে রক্ত পড়ছে। তার পরিবারের আরও তিনজন আহত ছিলেন।”

এদিকে ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসা শেষে থানায় গিয়ে মামলা করতে চাইলে পুলিশ মামলা গ্রহণে গড়িমসি করে। পরে বাধ্য হয়ে মিরসরাইয়ের বিজ্ঞ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তৃতীয় আদালতে দণ্ডবিধির ১৪৩, ৪৪৭, ৪৪৮, ৩২৩, ৩২৪, ৩২৫, ৩২৬, ৩০৭, ১০৯, ৩৪ ও ৫০৬(২) ধারায় নালিশি মামলা দায়ের করেন তারা।

মামলায় অভিযুক্তরা হলেন—সাইদুল ইসলাম সালমান, ইকবাল হোসেন, রাহাত, রায়হান, আশরাফুল, ফরহাদ, শাহরুখ ও ডলি। তাদের সবার বাড়ি বড় কমলদহ এলাকায় বলে মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, মামলা দায়েরের পর দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও এখনো কোনো আসামি গ্রেপ্তার হয়নি। উল্টো অভিযুক্তরা তাদের বিভিন্নভাবে হুমকি-ধমকি দিয়ে যাচ্ছে বলেও অভিযোগ করেছেন তারা।

ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা আরো বলেন,
“আমরা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত চাই। যার জন্যে আমরা গত (৩ সেপ্টেম্বর) বৃহস্পতিবার
বিকেলে মিরসরাই পৌরসভার বারইয়ারহাটে এক সংবাদ সম্মেলন করি এবং যারা হামলার সঙ্গে জড়িত, তাদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া হোক।

পাশাপাশি আমাদের পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হোক। আমরা এখনো নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি এবং নিয়মিত হুমকি-ধমকির শিকার হচ্ছি।”

Author

জাতীয় দৈনিক আলোচিত প্রতিদিন

Follow Me
Other Articles
Previous

সুর ও পেশা বদলে এখনো বেপরোয়া মহিলা আওয়ামী নেত্রী রেখা চৌধুরী সাংবাদিকতার আড়ালে নতুন রূপে চাঁদাবাজির অভিযোগ

Next

দুঃসাহসিক অভিযান: চাটগাঁওয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ৪০ মিনিট ধাওয়া, ১২৫ কেজি চোরাই তারসহ সিএনজি উদ্ধার করল পুলিশ

No Comment! Be the first one.

Leave a Reply Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

প্রকাশক: ব্যারিস্টার মাহবুবুর রহমান, সম্পাদক: এস এম মিজান উল্লাহ নির্বাহী সম্পাদক: আবদুল মালেক সুমন

হেড অফিস: ৪৩ হাটখুলা রোড়, চৌধুরী শপিং মল, টিকাটুলী, ঢাকা-১২০৩

স্বত্ব © ২০২৬ | জাতীয় দৈনিক আলোচিত প্রতিদিন