
২৯/০৫/২০২৬ ইং ঐতিহাসিক পাঁচবিবি স্টেশনে রুপসা/সীমান্ত ও নীলসাগর ট্রেনের যাত্রাবিরতির জন্য জনাব মোঃ মাসুদ রানা প্রধান, জয়পুরহাট জেলা পরিষদ প্রশাসক বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।
শিক্ষার্থী সমিতি, পাঁচবিবির পক্ষ থেকে এ সময় স্বারক লিপি প্রদান করেন জনাব ডাঃ মাহবুব হাসান ও সাবেক ইভিপি, জনাব মোঃ ফিরোজ হোসেন ফাইন।
সম্মানিত জেলা পরিষদ প্রশাসক তার পক্ষ থেকে সকল ধরনের চেষ্টা অব্যাহত থাকবে বলে সকলের সামনে মতামত ব্যক্ত করেন।
জেলা পরিষদ জয়পুরহাটকে আবেদন দেওয়া হল। উনি এই কাজে শিক্ষার্থী সমিতি, পাঁচবিবি এর প্রগ্রামে তিনি দৃঢ অঙ্গীকার ব্যাক্ত করেছেন।
আমরা বৃহত্তর পাঁচবিবি উপজেলাবাসী দীর্ঘদিন যাবত আন্তঃনগর ট্রেনের যাত্রা বিরতির বৈষ্যমের শিকার হয়ে আসছি। আমাদের পাঁচবিবি স্টেশন থেকে দক্ষিণাঞ্চল খুলনা যাওয়ার একটিও আন্তঃনগর ট্রেনের যাত্রা বিরতি নেই।
মজলুম জননেতা মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর স্মৃতি বিজড়িত পাঁচবিবি উপজেলা উত্তরবঙ্গের অন্যতম বৃহত্তম গোহাটা ও কাঁচামালের জন্য প্রসিদ্ধ। পার্শ্ববর্তী পাঁচটি উপজেলা যেমন, ধামইরহাট, পলাশবাড়ী, গোবিন্দগঞ্জ, ঘোড়াঘাট, হাকিমপুর উপজেলার জনসাধারনের রেল যোগাযোগের কেন্দ্রস্থলই হলো পাঁচবিবি রেলওয়ে স্টেশন।
উল্লেখিত উপজেলাগুলোর সাথে পাঁচবিবির সড়ক যোগাযোগ উন্নত হওয়ায় উক্ত এলাকার জন সাধারণ পাঁচবিবি রেলওয়ে স্টেশন থেকে ট্রেনে যাতায়াত করে থাকেন। পাঁচবিবিতে একটি সরকারি অনার্স কলেজ, পাঁচটি বে-সরকারি কলেজ, কৃষি ডিপ্লোমা ও কারিগরি কলেজসহ ২০০ এর অধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। জয়পুরহাট জেলার মধ্যে সবচেয়ে বড় উপজেলা পাঁচবিবি।
এমতাবস্থায় পাঁচবিবি রেলওয়ে স্টেশনে আন্তঃনগর রুপসা, সীমান্ত ও নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনের যাত্রা বিরতি না থাকায় এলাকার সকল ধরনের ছাত্র-জনতা, ব্যবসায়ী, শিক্ষক ও বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ সকল পেশার জনগণ রেল সুবিধা হইতে বঞ্চিত হইতেছে।
তেমনিভাবে সরকার লক্ষ লক্ষ টাকার রাজস্ব আয় থেকে বঞ্চিত হইতেছে।