বিএনপির আন্ত কোন্দলে আওয়ামী সন্ত্রাসীদের উৎপীরণ একাউন্ট থেকে শিখর।

ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি- এস ইউ এম ইলিয়াস সিকদার।।
বৃহত্তর স্বার্থে এক হলেও পদ ও ক্ষমতার দন্ধে বিভিন্ন ইউনিয়নে বিএনপি’র ঐক্যজোঁট নষ্ট হয়ে পরস্পর পরস্পরের বিরোদ্ধে অবস্থানে আছে। ঠিক তেমনি সাতকানিয়া থানাধীন ১৪ নং পুরানগর ইউনিয়ন ও ব্যতিক্রম নয় বরং বেশি। ফলে এই সুযোগ হাতছাড়া করেনি তথাকথিত তদানীন্তন আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসী। এতে রয়েছে আওয়ামী পরিচয় ধারী কিছু পাতি নেতা ও কর্মী। এই আওয়ামী সন্ত্রাসীরা ক্ষমতায় থাকাকালীন সময়ে চাঁদাবাজি, লুটপাট, টেন্ডারবাজি, অবৈধ জাগা দখল, নারী নির্যাতন, থানার দালালি সহ নানা অপকর্মই ছিল তাদের চলার একমাত্র মাধ্যম।
যদিও তাদের দলের শীর্ষ নেতারা আত্মগোপন বা বিদেশে অবস্থান করছে কিন্তু টোকাইদের কোন সুরাহা তারা করে যেতে সময় পায়নি। তবুও চিরাচরিত স্বভাব বদলাতে না পেরে তারা বুদ্ধিমত্তা খাটিয়ে বিএনপি’র পরিত্যাক্ত কিছু নামধারী টোকাই শ্রেণীর নেতাদের আশ্রয়ে আশ্রিত হয়ে হাইব্রিড বিএনপি নামে পরিচিত এবং শুরু করে দিয়েছে পূর্বের চেয়ে ঢেড় বেশি অত্যচার। এলাকার মানুষ জানমালের নিরাপত্তার কারণে উৎকণ্ঠিত। তাদের বিরুদ্ধে বিচার দেওয়ার জায়গাও নাই, বিচার দিলেও জীবনের আশঙ্কা। যেন আইয়ামে জাহিলিয়াতের যুগ। জানা যায় এদের এই অবৈধ উপার্জন থেকে সিংহভাগ টাকা পরিত্যক্ত বিএনপির টোকাই নেতাদের হাতে যায়।
এ পর্যন্ত জায়গা দখল করে চাদাবাজি করেই চলেছে ফকিরখীলে – দুই পক্ষের কাটাকাটি হয়ে মামলা চলছে। শংকের বালি উত্তোলনে ভাগাভাগির প্রশ্ন তুলে করেছে বিএনপি’র নেতার ঘর। সংখ্যালঘুদের বাড়িতে অগ্নিসংযোগ এবং যুবতী মেয়েদের শ্লিলতাহানির হুমকি।
সম্প্রতি পুরানগড় ইউনিয়নের দীর্ঘদিনের লালিত চারটি সেলুন গাছ দা ওয়ান কে বেঁধে রাতের অন্ধকারে কেটে নেয় এবং হুমকি প্রদর্শন করে যদি তাদের নাম বলা হয় তাহলে মৃত্যু অনিবার্য ফলে দারোয়ান কাউকে দেখিনি ছাড়া মৃত্যু ভয়ে কিছু বলছে না। পরিষদে খোঁজ খবর নিতে নিতে বাগালিয়া অভিমুখে একটি পুকুরে গাছগুলো পায় এবং উপজেলাকর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করলে উনারা স্বর জমিনে গাছগুলি জব্দ করেন কিন্তু চোর ডাকাত গুলোকে সনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। কারণ সাধারণ মানুষ জানে প্রকৃত শব্দের নাম বললে রাত্রে এসে এদের মেরে ফেলবে তাই সবাই নীরব ভূমিকা পালন করছে।
প্রশ্নটা ওখানে নয়, যাদের কোন চাকরি নাই- ব্যবসা নাই -জায়গা সম্পদ নাই -তারা কিভাবে পরিবার চালাচ্ছে সারাদিন দলবল নিয়ে আড্ডা মারছে ইয়াবা, মদ সেই সাথে সারাক্ষণ থাকে – চায়ের দোকানে আড্ডা দিচ্ছে -জুয়া খেলছে – তাদের ইনকামের উৎস কোথায়? এই অবৈধ কামাই হচ্ছে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে তাদের উপার্জন। এদের প্রতিকারের জন্য থানা উপজেলা এবং ক্ষমতাসীন দলের নেতাদের কঠোর হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।
অনুরূপ একই ইউনিয়নের মনেয়া বাদ গ্রামে সুমন নামের একটি লোকের বাড়িতে দীর্ঘদিন যাবত এই আওয়ামীচক্র এবং ওয়ার্ড সভাপতি ইব্রাহিম লক্ষ টাকা ছাড়ার জন্য নিজস্ব জায়গায় ঘর বাঁধতে বাদা প্রদান করে আসছে, চাঁদা না দেওয়াতে এদেরকে ঘর বাধতে গেলে গুন্ডা বাহিনী দিয়ে প্রতিহত করে। এভাবে তিন চার মাস অতিবাহিত হওয়ার পর জনৈক বিএনপি নেতার নজরে পড়ে, তিনি আইনগত প্রক্রিয়া করে এবং সন্ত্রাসীদের সাবধান করে দিয়ে ঘর তোলার সহযোগিতা করে। আইনগত কোনদিন দিক বা নগদ উপার্জনে ব্যর্থ হয়ে ছাদ ঢালাইয়ের মুহূর্তে রড সিমেন্ট নষ্ট করার জন্য ওয়ার্ড সভাপতি সন্ত্রাসী ইব্রাহিম দেওয়ানী আদালতে নিষেধাজ্ঞা দাবী করে। বিজ্ঞ আদালত এর এই অবৈধ আবদার না কাজ করে দেয় এবং মৌখিকভাবে জমি মালিক কে কাজ চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেন।
এতেও দূরত্ব পাতিনেতা সান্তনা হয়ে স্পেশাল ম্যাস্ট্রেট কোট’ বসিয়ে কাজগুলো অস্থায়ীভাবে বন্ধ রাখার নোটিশ প্রয়োগ করে বলে বিবাদী সূত্রে জানায়। দেওয়ানী কোডে’র নির্দেশনার বাইরে ফৌজদারি কোর্টের কার্যক্রম এই প্রথম শুনলাম।
এর আগেও থানায় বিভিন্ন প্রকার অভিযোগ বৈঠক এবং বিল্ডিং এর জন্য অনিতা মালামাল লুট ইত্যাদি ঘটনা ভুক্তভোগী সুমন পরিবার “আলোচিত প্রতিদিন “কে জানায়।
সুমন পরিবার আরো জানায় – যে ভিটিতে বাড়ির নির্মাণ করছে সেখানে তাদের আইনত অংশ দুই গন্ডা কিন্তু তারা বাড়ি নির্মাণ করতেছে দেড় ঘন্টা জমিতে পক্ষান্তরে তাদের বিরুদ্ধে যে উঠে পড়ে লেগেছে সে ইব্রাহিমের আয়না ধ্বংস আট গন্ডা কিন্তু সে দখল করে আছে বার গণ্ডা।
সত্য মিথ্যা যাচাই-বাছাই এবং বিহিত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রশাসনের হাতে ন্যস্ত।