দুর্গম পাহাড়ে ফারুক-ই-আযম মাদ্রাসায় ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপন

বিশেষ প্রতিনিধি: মো. রবিউল ইসলাম
দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় অবস্থিত ফারুক-ই-আযম (রা.) দাখিল মাদ্রাসা, এতিমখানা ও লিল্লাহ বোর্ডিংয়ের উদ্যোগে যথাযোগ্য ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও মর্যাদায় পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপন করা হয়েছে।
২৬ আগস্ট ২০২৬, ১২ রবিউল আউয়াল উপলক্ষে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে রচনা প্রতিযোগিতা, উপস্থিত বক্তৃতা প্রতিযোগিতা, আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে মাদ্রাসার সকল শিক্ষক-শিক্ষিকা, ছাত্র-ছাত্রী এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে সভাপতিত্ব করেন মাদ্রাসার সুপার মাওলানা গোলাম রব্বানী। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন মাদ্রাসার শিক্ষক মো. মাসুদুর রহমান।
আলোচনা সভায় পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)-এর তাৎপর্য, মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবনাদর্শ, মানবতার প্রতি তাঁর শিক্ষা এবং বর্তমান সমাজে তাঁর আদর্শ অনুসরণের গুরুত্ব নিয়ে শিক্ষক-শিক্ষিকা ও শিক্ষার্থীরা বক্তব্য রাখেন।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, মহানবী (সা.) ছিলেন সমগ্র মানবজাতির জন্য রহমত ও উত্তম আদর্শের প্রতীক। তাঁর আদর্শ অনুসরণ করে ন্যায়, মানবতা, ভ্রাতৃত্ব, শৃঙ্খলা ও নৈতিক মূল্যবোধসম্পন্ন সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব।
উল্লেখ্য, দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চলে নানা সীমাবদ্ধতার মধ্যেও ফারুক-ই-আযম (রা.) দাখিল মাদ্রাসা দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষা বিস্তারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় ২০২৬ সালের দাখিল পরীক্ষায় প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষার্থীরা শতভাগ পাসের সাফল্য অর্জন করেছে, যা দুর্গম অঞ্চলের শিক্ষা কার্যক্রমের জন্য একটি উল্লেখযোগ্য অর্জন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
আলোচনা শেষে রচনা ও উপস্থিত বক্তৃতা প্রতিযোগিতায় বিজয়ী শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। পরে দেশ, জাতি, মুসলিম উম্মাহ ও প্রতিষ্ঠানের সার্বিক কল্যাণ কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। দোয়া-মোনাজাতের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।