
এস,ইউ, এম,ইলিয়াস সিকদার,
ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি। চট্টগ্রাম জেলা।
গতকাল ২৯ জুন /২৬ ইং পুরান গড় নেতা ইসমাইল উদ্দীনের নেতৃত্বে পুরানগড়ে অনুষ্ঠিত হয় মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা।
ঘটনার বিবরণে প্রকাশ – উক্ত এলাকার চেয়ারম্যান মাহবুব সিকদার আওয়ামী লীগের সময়ে পর পর দুইবার নৌকা মাকা’ প্রতীক নিয়ে চেয়ারম্যান নিবা’চিত হন। বলাবাহুল্য উনি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতিও ছিলেন।জুলাই /আগষ্টের সৈরাচার পতনের আন্দোলনে তদানিন্তন সরকার বিরোধী দল আন্দোলনের অংশ হিসাবে রাস্তা অবরোধ,সভা- সমাবেশ করিলে আওয়ামী লীগের সভাপতি ও চেয়ারম্যানের দায়িত্বে থাকায় তিনি স্বসস্ত্র শতাধিক লোক নিয়ে ৪ আগষ্ট ইউনিয়ন ব্যাপী প্রতিরোধ গড়ে তুলেন।সৈরাচার বিরোধী আন্দোলনের এ-ই তান্ডবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় যুবদল নেতা ইসমাইল ও তার ঘনিষ্ঠরা।এতে ইসমাঈলের ঘরবাড়ি ভাংচুর – কাটাছিড়া ও পরিবারের উপর নৃশংস হামলায় ইসমাঈল ব্যাপক ক্ষতির শিকার হয় ফলে বেশ কয়েকটি ফৌজদারি মামলাও রজ্জু হয়, এতে প্রধান বিবাদী ছিলেন মাহবুব চেয়ারম্যান। ৫ তারিখ থেকে সারাদেশে যখন আওয়ামী বিরুদী টানটান উত্তেজনা বিরাজমান তখন ১৭ বছরের ক্ষমতাসীন প্রায় আওয়ামী নেতাকমী’র মত তিনিও আত্মগোপন ছিলেন। এ-ই সময়ে জনগণের দুভো’গ এড়াতে যথাযথ কতৃপক্ষের মাধ্যমে ৯ নং ওয়াডে’র মেম্বার ফরিদুল আলমকে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব প্রদান করা হয়। তিনি ৮/৯ মাস কাল উক্ত দায়িত্ব সামথ’ হিসাবে পরিচালনা করেন। জাতীয় নিবা’চনের পর দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের পলাতক চেয়ারম্যানের অনেকেই নাকি হাইকোর্ট রিট করে পুনরায় বৈধতা পেয়েছেন তৎমধ্যে সাতকানিয়া থানাধীন খাগরিয়া -কেওচিয়ার নামও শুনা যাচ্ছে তবে জনগণের বাঁধা বিপত্তির কারণে কায্যক্রমে যোগদানের সুযোগ হয়নি বলে জানা যায়। ইতিমধ্যে মাহবুব সিকদারও নাকি আইনী বৈধতা পেয়েছেন এবং ২৯ জুন কাউন্সিল অফিসে যোগদান করবেন, এ-ই জনশ্রুতি প্রকাশের পর এ-ই রায় বা জনশ্রুতি যা-ই হউক তার প্রতিবাদ এ-ই মানববন্ধন। তবে রিপোর্ট লিখা পয্য’ন্ত কোন অপ্রীতিকর ঘটনা শুনা যায় নাই এবং চেয়ারম্যানও পরিষদে আসেন নাই।