বিশেষ প্রতিবেদক:- চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড থানা এলাকায় রাতের আঁধার নামলেই সক্রিয় হয়ে ওঠে চোরাই তেলের এক সংঘবদ্ধ সিন্ডিকেট। মহাসড়ক সংলগ্ন বিভিন্ন পয়েন্টে প্রকাশ্যেই চলছে এই অবৈধ বাণিজ্য। 'টিম দৈনিক আলোচিত প্রতিদিন'-এর অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য—থানার টহল পুলিশকে মাসোহারা দিয়ে এবং 'ম্যানেজ' করেই নির্বিঘ্নে পরিচালিত হচ্ছে এই চোরাই তেলের কারবার।
অনুসন্ধানের স্বার্থে পরিচয় গোপন রেখে ওই তেলের সিন্ডিকেটের সদস্যদের সাথে কথা বলে টিম দৈনিক আলোচিত প্রতিদিন। কথা প্রসঙ্গে তারা অকপটে স্বীকার করে যে, রাতে সীতাকুণ্ড থানার ডিউটিতে থাকা টহল গাড়ির পুলিশ সদস্যদের ম্যানেজ করেই তারা প্রতিদিন দোকান খোলে। অনুসন্ধানী দল এ বিষয়ে নিশ্চিত প্রমাণ ও ছবি সংগ্রহ করেছে।
অভিযোগের ভিত্তিতে সীতাকুণ্ড মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মহিনুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি রহস্যজনক ভূমিকা পালন করেন। একাধিকবার এই অবৈধ চোরাই তেলের আস্তানায় অভিযান পরিচালনার অনুরোধ জানানো হলেও থানা পুলিশ কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। উল্টো ওসি মো. মহিনুল ইসলাম সাংবাদিকদের পরামর্শ দেন রাত ১২টা বা ১টার দিকে 'ম্যাজিস্ট্রেট সাথে নিয়ে' অভিযান চালাতে!
গভীর রাতে যেখানে তাৎক্ষণিক পুলিশি পদক্ষেপ ও রেড অভিযান চালানো পুলিশের আইনি দায়িত্ব, সেখানে ওসি কেন ম্যাজিস্ট্রেট আনার অজুহাত দিয়ে এড়িয়ে যাচ্ছেন—তা নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে। অপরাধ দমনে টহল পুলিশের এই ভূমিকা এবং ওসির এমন অবিবেচক পরামর্শে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা। সচেতন মহল মনে করছেন, ওসির এই রহস্যজনক উদাসীনতার কারণেই সীতাকুণ্ডে চোরাই তেল সিন্ডিকেট দিন দিন আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছে।
এ বিষয়ে উর্ধ্বতন পুলিশ প্রশাসনের আশু হস্তক্ষেপ ও নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করেছে স্থানীয় বাসিন্দারা।
প্রকাশক: ব্যারিস্টার মাহবুবুর রহমান, সম্পাদক: এস এম মিজান উল্লাহ নির্বাহী সম্পাদক: আবদুল মালেক সুমন,
হেড অফিস: ৪৩ হাটখুলা রোড়, চৌধুরী শপিং মল, টিকাটুলী, ঢাকা-১২০৩
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত