মোঃ মাছুম মন্ডল,
জয়পুরহাট জেলা প্রতিনিধিঃ
০২/০৯/২০২৬/ইং বুধবার
বিগত আওয়ামীলীগ সরকারের আমলে নিজ দলের লোকজনকে একই পরিবারের মাঝে ১৫ টাকা কেজি মাসিক বিজিবি কার্ড বিতরণ করা হয়। এবং ধনাত্ম ব্যক্তিদের মাঝে সে চালগুলো বিতরণ করা হয়।
এবং গরিব ,অসহায়, দরিদ্রদের বাদ দিয়ে ধনি, ও প্রভাবশালীদের মাঝে কার্ড বিতরণ করা হয়, একই পরিবারে মাঝে ধনাত্ম ব্যক্তিদেরকে কার্ড বিতরণ করা হয়।
যাদের ১০ বিঘা জমি আছে, ৫ বিঘা জমি আছে তাদের মাঝেই বিভিন্ন সরকারি সুযোগ সুবিধা প্রদান করা হয়, সকল সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত সাধারণ অসহায় ও দরিদ্র, নিম্ন আয়ের মানুষ।
একাধিক কার্ড একই পরিবারের ছেলের নামে, মেয়ের নামে, বাবার নামে, আওয়ামী লীগ নিজ দলের নেতাদের নামে আবার কোথাও মায়ের নামে।
এবং অনেক ডিলার চাল বিতরণের সময় নিজেই ক্রয় করতেছে। এবং কার্ডধারী ব্যক্তিদের কাছ থেকে স্বল্পমূল্যে একাধিক ব্যবসায়ী পাবলিককে ঠকিয়ে কম দামে চাল ক্রয় করতেছে।
তাই ভুক্তভোগী অসহায় গরিব মানুষের অভিযোগ ১৫ টাকা কেজি চাল সাধারণত গরিব মানুষের জন্য, আমাদেরকে রেখে কেন নিজ দলের মাঝে চাল বিতরণ করা হলো। এবং একই পরিবারের মাঝে কেন একাধিক কার্ড বিতরণ করা হলো।
তাই গরিব ,অসহায়, দরিদ্র ও সাধারণ পেশাজীবী, শ্রমজীবী, কৃষক, শ্রমিক, মেহনতি মানুষের দাবি। যারা চাল পাওয়ার যোগ্য তারা চাল পায় না, সঠিক তদন্ত এবং যাচাই-বাছাই এর মাধ্যমে চাল বিতরণের জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানায়।
ভুক্তভোগী গরিব মানুষের দাবি, প্রত্যেকটি উপজেলা, প্রত্যেকটি ইউনিয়ন প্রত্যেকটি ওয়ার্ডে যাচাই-বাছাইয়ের মাঝেই যেন চাল বিতরণ করা হয়।
এ বিষয়ে চালের ডিলার ও বিভিন্ন ডিলার বলেন এখানে আমার করার কিছু নেই, যাদের নামেই চালের কার্ড আছে ধনী কিংবা গরিব তাদেরকে চাল দিতে আমরা বাধ্য। কারণ কার্ড আমি দেই নাই কার্ড দিয়েছে বিভিন্ন চেয়ারম্যান মেম্বার আমার করার কিছু নেই।
তারা সকল জেলা প্রশাসন, উপজেলা প্রশাসন, চেয়ারম্যান, মেম্বার সকলের কাছে সঠিক তদন্ত করতে বিশেষভাবে অনুরোধ জানান।
সঠিক তদন্তের মাধ্যমে যারা চাল পাওয়ার যোগ্য তাদেরকে চাল দিতে ও বিভিন্ন পণ্য দিতে অনুরোধ জানান।
প্রকাশক: ব্যারিস্টার মাহবুবুর রহমান, সম্পাদক: এস এম মিজান উল্লাহ নির্বাহী সম্পাদক: আবদুল মালেক সুমন,
হেড অফিস: ৪৩ হাটখুলা রোড়, চৌধুরী শপিং মল, টিকাটুলী, ঢাকা-১২০৩
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত