এস ইউ এম ইলিয়াস সিকদার
সাতকানিয়া থানাধীন ১৪ নম্বর পুরান ঘর ইউনিয়নের সাধারণ জনগণ দীর্ঘদিন যাবত একটি অপশক্তির হাতে জিম্মি ছিল। চাঁদাবাজি, চুরি ছিনতাই, দখল বাজি, গুমখুন,সংখ্যালঘুদের প্রতি ইভটিজিং এর হুমকি সহ যাবতীয় অপকর্ম ছিল পুরানগড়ের নিত্য নৈমিত্তিক ব্যাপার কিন্তু প্রাণনাশের হুমকি ও মিথ্যা মামলার ভয়ে ভুক্তভোগীরা নিরবে সহ্য করতে বাধ্য ছিল।
সবাই জানত একটি সংগঠিত দল প্রত্যক্ষ পরোক্ষভাবে এই সকল অবৈধ কাজের সাথে জড়িত। এই সঙ্ঘবদ্ধ চক্রের কাজ ছিল মানুষকে ভীতি প্রদর্শন করে অস্ত্রের মুখে টাকা হাতিয়ে নেওয়া। এবং সংঘবদ্ধ হয়ে কিছু চিহ্নিত চায়ের দোকান ও নির্দিষ্ট বাড়িতে মদ জুয়ার আড্ডা করা।
এই পর্যন্ত শঙ্খ নদী থেকে বালু উত্তোলনের চাঁদা আদায় এবং চাঁদা দিতে অস্বীকার করায় বিএনপি নেতার ঘর ভাঙচুর, সরকারি রাস্তা ড্রেন সংস্কারে বাধা প্রদান সহ এমন কোন কাজ নেই তারা করেনি।প্রশাসনে তাদের গডফাদার থাকাতে কোন বিচারের সম্মুখীন হতে হয়নি ফলে তাদের দৌরাত্ম্য এতই বেড়ে গেছে তারা যেন লাইসেন্সধারী পুরানগরের হতা' কর্তা বিধাতা।
সম্প্রতি বিগত ২৬ -৮-২৬ ইংরেজি রোজ বুধবার রাতে দারোয়ানকে জিম্মি করে পুরানগড় ইউনিয়ন পরিষদের বড় আকারের ৪টি সেগুন গাছ কেটে নিয়ে যায়। যা পরদিন সাতকানিয়া উপজেলা প্রশাসন এসে বাজালিয়া একটি পুকুর থেকে জব্দ করেন কিন্তু কে বা কারা করেছে তার কোন সাক্ষী প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
পরদিন ২৭-৮-২৬ ইংরেজি রোজ বৃহস্পতিবার রাত্রে একই কায়দায় পুরানগড় শাহ সরফুদ্দীন উচ্চ বিদ্যালয়ের তালা ভেঙ্গে নিয়ে যায় দশটি ল্যাপটপ এবং ভাঙচুর করে স্কুলের আসবাবপত্র।
এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে বিভিন্ন গণমাধ্যম এবং প্রশাসন অনুসন্ধান করেও কোন তথ্য সংগ্রহ করতে সক্ষম হয়নি।
কথায়৷ বলে -"চোরের দশ দিন গৃহস্থের একদিন " এলাকাধীন কিছু বুদ্ধিমান ব্যক্তি গোপন অনুসন্ধান করে আজ ২৯-৮-২৬ ইং শনিবার আবিষ্কার করতে সক্ষম হয়েছে চোরদের কোন কর্মকাণ্ডের বাস্তব চিত্র ও কিছু চোরের নাম। ছবিতে সাতজন চোর দেখা গেলেও ৬ জনের নাম পাওয়া গেছে। তাদের মধ্যে যথাক্রমে ১.কালা তারেক ২.সাজ্জাদ লম্বাতলী ৩.ওয়ান মাডার হেলাল ৪.আলমগীর বাঙ্গারগোড়া ৫.আব্দুল্লাহ নওশা ৬.যুবলীগ জিয়া প্রমুখ।
তবে সবকটি ঘটনার জন্য তারা যথেষ্ট নয়, পুরো ইউনিয়ন ব্যাপী তাদের একটি অস্ত্রধারী টিম ও গডফাদার আছে। জনগণের দৃঢ় বিশ্বাস এদের আইনের আওতায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ করিলে সকল সন্ত্রাসীর নাম বাহির হবে। এবং দীর্ঘদিনের নির্যাতিত জনগণ পাবে ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা।
তাই প্রসাশনের নিকট জনগণের আকুল আবেদন অনতিবিলম্বে আইনের কঠোর হস্তক্ষেপ গ্রহণ করিয়া সকল সন্ত্রাসীকে গ্রেফতার ও সংগঠিত হওয়ার স্থান চিন্হিত চায়ের দোকান ও চিহ্নিত জুয়া ইয়াবার আড্ডার ঘর গুলির স্থায়ীভাবে নিষিদ্ধকরণ ।
প্রকাশক: ব্যারিস্টার মাহবুবুর রহমান, সম্পাদক: এস এম মিজান উল্লাহ নির্বাহী সম্পাদক: আবদুল মালেক সুমন,
হেড অফিস: ৪৩ হাটখুলা রোড়, চৌধুরী শপিং মল, টিকাটুলী, ঢাকা-১২০৩
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত