নিজস্ব প্রতিবেদক।
চট্টগ্রাম নগরের ব্যস্ততম এলাকা নিউমার্কেট মোড়ে খোলা আকাশের নিচে প্রকাশ্যে বিক্রি হচ্ছে শত শত চোরাই ও অবৈধ মোবাইল ফোন। কোনো ধরনের রসিদ, বাক্সে বা বৈধ কাগজপত্র ছাড়াই এসব ফোন বিক্রি করছে একটি অসাধু সিন্ডিকেট। আর এসব ফোন কিনে চরম প্রতারণা ও পুলিশি হয়রানির শিকার হচ্ছেন সাধারণ ক্রেতারা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নিউমার্কেট মোড় সংলগ্ন ফুটপাতে প্রতিদিন অবাধে চলে চোরাই ফোনের কারবার। না বুঝে কম দামে ফোন কিনে প্রতারিত হচ্ছেন ক্রেতারা। কেনা ফোনে নতুন সিম প্রবেশ করানোর সঙ্গে সঙ্গেই ট্র্যাকিং বার্তার মাধ্যমে সেই ফোনের অবস্থান ও তথ্য চলে যাচ্ছে পূর্বের কোনো মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার কাছে। পরবর্তীতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে ক্রেতার কাছ থেকে ফোন জব্দ করছে। ফলে টাকা দিয়ে ফোন কিনেও আইনি বিপদে পড়ছেন সাধারণ মানুষ।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, চোরাই ফোন বিক্রির মূল হোতা অসাধু ব্যবসায়ীরা বহাল তবিয়তে ব্যবসা চালিয়ে গেলেও পুলিশ শুধু ক্রেতাদেরই ধরাশায়ী করছে। এক ভুক্তভোগী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "টাকা দিয়ে মোবাইল কিনে আমরা বিপদে পড়ছি, পুলিশ মোবাইল নিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু যারা রাস্তার ওপর কোনো কাগজপত্র ছাড়া এভাবে খোলামেলা চোরাই মোবাইল বিক্রি করছে, তাদের বিরুদ্ধে কেন ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না?"
এ বিষয়ে কোতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, নির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে তারা ব্যবস্থা গ্রহণ করেন।
তবে ওসির এমন বক্তব্যে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন ভুক্তভোগী ও সচেতন মহল। তাদের প্রশ্ন—কোনো বৈধ ডকুমেন্টস ছাড়া প্রকাশ্যে রাস্তার ওপর শত শত চোরাই মোবাইল বিক্রি হচ্ছে, তা কি পুলিশের চোখে পড়ে না? অভিযোগ পাওয়ার পরই কেবল কেন ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হচ্ছে? নাকি এই অবৈধ সিন্ডিকেটের পেছনে অন্য কোনো অলিখিত সুবিধা বা রহস্য লুকিয়ে আছে?
দ্রুত এই অসাধু চোরাই মোবাইল সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার এবং সাধারণ মানুষকে হয়রানি থেকে রক্ষা করার
প্রকাশক: ব্যারিস্টার মাহবুবুর রহমান, সম্পাদক: এস এম মিজান উল্লাহ নির্বাহী সম্পাদক: আবদুল মালেক সুমন,
হেড অফিস: ৪৩ হাটখুলা রোড়, চৌধুরী শপিং মল, টিকাটুলী, ঢাকা-১২০৩
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত