মো: জয়নাল আবেদীন, অনুসন্ধানী প্রতিবেদন:- চট্টগ্রাম নগরীর ডবলমুরিং থানাধীন আগ্রাবাদ চৌমুহনী মাজারের পার্শ্বে সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক ভবনের ৬তলার উজ্জলের ‘ম্যাসেজ পার্লার’-এর নামে রমরমা চলছে দেহ ব্যবসা। এ অবৈধ ব্যবসার নেতৃত্বে রয়েছেন উজ্জল নামের এই ব্যক্তি।সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, পার্লার” নামের এই কথিত ‘ম্যাসেজ পার্লারে পুলিশ যাওয়ার আগেই দরজায় বাইরে থেকে তালা ঝুলিয়ে রাখা হয়। ভিতরে অবস্থান করছেন বেশ কয়েকজন নারী, অপেক্ষমাণ খদ্দেরদের জন্য। বাহ্যিকভাবে দেখে বুঝার উপায় নেই ভিতরে চলমান অনৈতিক কর্মকাণ্ডের। সাংবাদিকদ ও পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে মুহূর্তের মধ্যে চম্পট দেয় উজ্জল এব্য পার্লার ব্যবসায়ী রানা গং। তারা সিড়ির অন্য পাশ দিয়ে নামিয়ে যায়,থেকে যায় ভিতরে আটকা পড়া ১৬থেকে ২০ জন নারী পুরুষ। ক্যামেরা দেখেই কান্নায় ভেঙে পড়েন ওই নারীরা। সাংবাদিকদের সামনে ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কান্না করে তারা জানান, উজ্জল ও পার্লার ব্যবসায়ী রানা পতিতাবৃত্তিতে বাধ্য করছে। তাদের মধ্যে অন্তঃসত্ত্বা নারীও রয়েছেন। বিশেষ সূত্রে আরও জানান, উজ্জল একজন খানদানী দেহ ব্যবসায়ী উজ্জল মাদক বিক্রির সাথে ও জড়িত আছে বলে এলাকাবাসী জানান। এবং তার ছত্রছায়ায় সন্ধ্যার পর অনেক লোকজন এখানে আনাগোনা করে। পুরো পার্লারটি উজ্জল ও রানার ইশারায় পরিচালিত হয় এবং উজ্জল মূলত খদ্দের সংগ্রহের কাজ ও করে থাকে। ঘটনাস্থলে পরে উজ্জলপন্থীরা রানা সহ দলবল নিয়ে হাজির হয়ে সাংবাদিকদের হুমকি প্রদর্শন করে এবং বিভিন্ন সাংবাদিকের পরিচিত বলে দাবি করে চাপ সৃষ্টির চেষ্টা করে। উজ্জল দাবি করে, তার নাকি অনেক গণমাধ্যম কর্মীর সাথে গভীর সখ্যতা রয়েছে। প্রশ্ন উঠেছে প্রশাসনের নাকের ডগায় কীভাবে এ ধরনের অসামাজিক কর্মকাণ্ড দিনের পর দিন চলে? চট্টগ্রামে স্পা সেন্টার আর ‘ম্যাসেজ পার্লারের আড়ালে ছড়িয়ে পড়েছে অশ্লীলতার বিষবৃক্ষ। তরুণ সমাজ নষ্ট হচ্ছে, সামাজিক অবক্ষয় চরমে পৌঁছাচ্ছে। সাংবাদিক কে দেয়া হুমকির জন্য সাংবাদিক জয়নাল বাদী হয়ে ডবলমুরিং থানায় ১৭/৫/২০২৬ রাত ১১ ঘটিকার সময় আকটি সাধার ডায়েরী করেন যাহার ডায়েরী নং ২০৫২। পার্লারের বিষয়ে জানতে চাইলে ডবলমুরিং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, “আমি পুলিশ পাঠিয়েছি, বর্তমানে স্থানটি বন্ধ পাওয়া গেছে। তবে আগামী কাল থেকে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হবে। ডবলমুরিং থানার ওসি সাংবাদিকদের জানান আমি উজ্জল কে পাওয়া মাত্র গ্রেপ্তার করার নির্দেশ দিয়েছি, আমার থানা এলাকায় এই সব দেহ ব্যবসা কোনভাবেই চলাতে পারবে না। সচেতন মহলের দাবি, প্রশাসনিক শক্ত হাতে হস্তক্ষেপ ছাড়া এই নোংরামি বন্ধ করা সম্ভব নয়। এখনই কঠোর পদক্ষেপ না নিলে তরুণ প্রজন্ম ধ্বংসের দিকে ধাবিত হবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
প্রকাশক: ব্যারিস্টার মাহবুবুর রহমান, সম্পাদক: এস এম মিজান উল্লাহ নির্বাহী সম্পাদক: আবদুল মালেক সুমন,
হেড অফিস: ৪৩ হাটখুলা রোড়, চৌধুরী শপিং মল, টিকাটুলী, ঢাকা-১২০৩
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত